ডেইলি স্টার ব্যানার
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ইন্টারনেট ও দুটি টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধসহ সেদিনের ঘটনায় যাদের ভূমিকা ছিল, তাদেরও মামলার আসামি করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনাকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, সাংবাদিক মোজ্জামেল বাবু ও ফারজানা রুপার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাওয়া হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের কয়েকজন নেতা বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে এসে মামলার তদন্ত অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন। এসময় তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য তাদের সঙ্গে বিনিময় করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকেও নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন সংগঠন ও গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় নতুন কিছু বিষয় সামনে এসেছে। বিশেষ করে একটি টেলিভিশন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন বক্তব্য ও উপস্থাপনা নিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার পর কিছু ব্যক্তি ও গণমাধ্যম ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। তাদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। তদন্তে যদি পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন বক্তব্য, বিদেশি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং ঘটনাপরবর্তী প্রচারণাগুলো তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।