Daily Star Banner
যুক্তরাজ্যে ফেরার পরপরই নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কায় প্রিন্স হ্যারিস ও মেগান মার্কেল দম্পতি তাদের সন্তানদের স্কুল পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন। মাত্র দুদিন ক্লাস করার পরই সাত বছর বয়সী প্রিন্স আর্চি এবং পাঁচ বছর বয়সী প্রিন্স লিলিবেটকে পুরনো স্কুল থেকে সরিয়ে নিকটস্থ অন্য একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘ যাতায়াত পথ এবং ভারী ট্রাফিকের কারণে নিরাপত্তা দল চরম ঝুঁকির আশঙ্কা করায় তড়িঘড়ি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রত্যাবর্তনের পর হ্যারি-মেগান দম্পতির জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল শিশুদের স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিদিনের যাতায়াত ব্যবস্থা। তাদের বর্তমান বাসস্থান থেকে আগের বিদ্যালয়টির দূরত্ব ছিল অন্তত ৩০ মিনিটের, যা যানজটের সময়ে আরও দীর্ঘ হয়ে যেত। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে অনেক সময় গাড়িগুলোকে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো, যা যেকোনো সম্ভাব্য হামলার ক্ষেত্রে পরিবারটিকে একরকম 'সহজ লক্ষ্যবস্তুতে' পরিণত করার ঝুঁকি তৈরি করে। এমনকি একপর্যায়ে ট্রাফিকের কারণে হ্যারির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের পক্ষে কনভয় ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছিল।
যদিও গ্রীষ্মের ছুটিতে নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথম স্কুলটির আঙিনা ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, তবে টার্ম শুরু হওয়ার পর বাস্তব রাস্তার পরিস্থিতি ও যাতায়াতের ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হ্যারি-মেগান দম্পতির ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রথম স্কুলটিতে শিক্ষক ও কর্মীদের আন্তরিকতা এবং পরিবেশ ছিল অত্যন্ত চমৎকার। সন্তানরাও সেখানে সময় উপভোগ করছিল। তবে শুধুমাত্র যাতায়াত ব্যবস্থার নিরাপত্তা বজায় রাখতে না পারার কারণেই চরম অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। ইতোমধ্যে নতুন স্কুলে নতুন শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরু করেছে রাজপরিবারের ছোট সদস্যরা, আর এখানকার অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের কারণে নিরাপত্তা দলও স্বস্তি প্রকাশ করেছে।