logo

র‍্যাবের নাম পরিবর্তনের পর প্রথমবার মামলা তদন্তে দায়িত্ব পেল এসআরবি

ডেইলি স্টার ব্যানার
Published: 20 September, 2026
photo
প্রথমবার মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেল এসআরবি

রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, মারধর এবং চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তভার পেয়েছে নবগঠিত স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) নাম পরিবর্তনের পর এটিই সংস্থাটির প্রথম মামলা, যার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

 

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। মামলার আবেদনকারী মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চুর জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত এসআরবিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

ঢাকার সিএমএম আদালতের নাজির আবুল হাসান কানন জানান, এই প্রথম কোনো মামলার তদন্তের দায়িত্ব এসআরবিকে প্রদান করা হয়েছে।

 

মামলার আসামি হিসেবে হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন এবং মুন্নী আক্তার মিষ্টির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

 

আদালতের তদন্তসংক্রান্ত আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবি আইনের ১০(গ) ধারায় মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি-সংক্রান্ত অপরাধ এবং ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা সংস্থাটিকে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু মামলাটি ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই আইনের ৫(২) ধারা অনুযায়ী আদালত এসআরবির মহাপরিচালককে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।

 

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযোগের বিষয়বস্তু বিবেচনায় এসআরবির মাধ্যমে তদন্ত করা যুক্তিযুক্ত। সেই অনুযায়ী আইনের ১৫(২) ধারা অনুসারে এসআরবির মহাপরিচালককে ইউনিটে কর্মরত উপপরিদর্শক বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার কোনো সদস্য দিয়ে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মিরপুর হাউজিং এস্টেট এলাকার একটি বহুতল ভবনের মালিক মো. ইউনুস আলী ও মিসেস রুমা আক্তার বর্তমানে পরিবারসহ কানাডায় অবস্থান করছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে সম্পত্তিটির দেখভাল ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তাদের চাচা মিজানুর রহমান।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখল ও আত্মসাতের চেষ্টা করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে তারা জোরপূর্বক ভবনে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বাধা দেওয়া হলে তারা প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে হেমায়েত উদ্দিন সুমন বাদীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি করা অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা বাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালান এবং দুই লাখ টাকা নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।